মোশারফ হোসেন ॥ কুষ্টিয়া কুমারখালীতে টানা কয়েকদিন ধরে তীব্র গরমে অতিষ্ঠ জনজীবন। ঘরের বাইরে সবখানে থাকা কঠিন হয়ে পড়েছে। গরমে সেদ্ধ জীবনে বৃষ্টির জন্য মানুষ আকাশপানে তাকিয়ে থাকলেও দেখা নেই স্বস্তির বৃষ্টির। চৈত্রের শেষের দিকে তীব্র তাপদাহে পুড়ছে জনজীবন। সারা দেশের মতো কুষ্টিয়ায় টানা কয়েকদিনের তীব্র গরমে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে জনজীবন। সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন খেটে খাওয়া মানুষরা। গতকাল বৃহস্পতিবার (১৮ এপ্রিল) বেলা ৩টায় জেলার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৪০ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গত চার দিন ধরে জেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে মাঝারি তাপপ্রবাহ। চলতি মাসের ২০ এপ্রিল থেকে জেলায় তাপমাত্রা আরও বৃদ্ধি পেতে পারে বলে জানিয়েছে স্থানীয় আবহাওয়া অফিস। সহসাই বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই বলেও জানিয়েছে তারা। কুমারখালী উপজেলার ভবানীপুর গ্রামের কৃষক সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘চৈত্রের এই তীব্র রোদের কারণে মাঠে কাজ করতে কষ্ট হচ্ছে। পানির অভাবে জমিতে থাকা পাটে পোকা লাগছে । সেলোমেশিনে পানি উঠেছে না, আমরা খুব দুশ্চিন্তায় মধ্যে আছি। ভ্যান চালক রহিম বলেন, এই গরমে ভ্যানে কেউ উঠতে চাচ্ছে না। অতিরিক্ত গরমে আমাদের ইনকাম বন্ধের পথে। বৃষ্টি না হলে জনজীবনে স্বস্তি ফিরবে না। গরমে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে আমাদের জীবন। কুষ্টিয়ার কুমারখালী আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বজলুর রহমান বলেন, ১৩ এপ্রিল থেকে কুষ্টিয়া কুমারখালী উপর দিয়ে মাঝারি তাপদাহ বয়ে যাচ্ছে। তিনি আরও বলেন, ‘গত প্রায় ৩-৪ দিন ধরে জেলার ওপর দিয়ে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। সহসাই বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই জানিয়ে এই কর্মকর্তা বলেন, আগামী ২০ এপ্রিল থেকে জেলায় তাপমাত্রা ৪২ ডিগ্রি ছাড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
