বিশেষ প্রতিনিধি ॥ কুষ্টিয়া কুমারখালী বাটিকামারা রেল সংলগ্ন এলাকায় । পৌরসভার এলাকার মধ্যে শহর ও অবকাঠামো উন্নয়ন কর্মসূচি আওতায় ওটএওচ- খএঊউ কাজ করা হচ্ছে। অবকাঠামো উন্নয়ন এর আওতায় ড্রেন নির্মাণকাজ অনেক দিন পার হলেও।
এখানো ৪০ শতাংশ কাজ শেষ হয়নি। কাজ শুরুর পর থেকে কচ্ছপ গতিতে কাজ করছে স্থানীয় এক ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান । ধীরগতিতে ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ। তবে পৌর কর্তৃপক্ষ বলছেন, মুল ঠিকাদার কাজ না করায় এমনটি হচ্ছে। আমরা চেষ্টা করছি, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করার। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, কুমারখালী পৌর এলাকার এ অন্তত ৪ টি স্থানে উন্নয়নকাজ চলমান রয়েছে।
তবে চলমান উন্নয়নকাজ যথাসময়ে না হাওয়ায় মানুষ পড়েছে ভোগান্তিতে । প্রকল্পটিতে প্রায় ৯ কোটি টাকা ব্যয়ে ২২ শ’ ৪২ মিটার রাস্তা ও ১৬ শ’ ৪৭ মিটার ড্রেনের কাজ করবে কিংডম বিলড্রাস লিমিটেড এবং নুরজাহান রিসোর্স ইন্টারন্যানাল নামের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। সরোজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বৃষ্টি কারণে রাস্তার পাশে রাখা ড্রেন এর মাটি রাস্তার মাঝে পড়ে কাঁদা মাটি সৃষ্টি হয়েছে। যার কারণে মানুষ ও যানবাহন চলাচল করতে পোয়াতে হচ্ছে দুর্ভোগ।
এই রাস্তাটি দিয়ে তরুণ মোড় হয়ে শহীদ গোলাম কিবরিয়া সেতু পারাপার করে ট্রাক , বাস, সহ সব ধরনের যানবাহন। ড্রেন নির্মাণের ফলে ভ্যান, রিকশা, বাইসাইকেল, অটো ভ্যান, সিএনজি, ট্রাক ও বাস চলাচলে করতে সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে বলে জানান এলাকাবাসী ও পথচারীরা। তেবাড়িয়া গ্রামের ভ্যান চালক ওয়াসিম বলেন, অনেক দিন ধরে ড্রেন নির্মাণের কাজ চলছে, ঠিক মতো কাজ করেনা তারা। গর্ত খুঁড়া চলে গেছে ঠিকাদাররা।
শেষ করতে সপ্তাহখানেক লাগবে আমরা জানি না। বৃষ্টিতে রাস্তায় কাঁদা হয়ে যায়। আমরা চাই যত দ্রুত সম্ভব ড্রেনটি নির্মান হোক। ইজিবাইকচালক ফারুক হোসেন বলেন, ‘বর্ষাকালে শহরের বিভিন্ন রাস্তাঘাট ও ড্রেন সংস্কার করা হয়। এতে সাধারণ মানুষের ভোগান্তির পাশাপাশি আমাদেরও চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয়। বর্তমানে শহরের বেশির ভাগ রাস্তা ও ড্রেনের উন্নয়নকাজ হচ্ছে। নিয়ম মেনে কাজ না করায় রাস্তা দিয়ে চলাচল করা যায় না।
কুমারখালী পৌরসভার সহকারী ইন্জিনিয়ার মোঃ আকরামুজ্জামান বলেন , আমি ঘটনা স্থানে গিয়েছিলাম। রাস্তায় উপর কাঁদা মাটির হয়েছে। মুল ঠিকাদার না থাকায়, স্থানীয় এক জন ঠিকাদার কে দিয়ে কাজ করানো হচ্ছে এই কারণে কিছুটা বিলম্ব হচ্ছে। ২২০ মিটার কাজের মধ্যে ফিফটি পার্সেন্ট কাজ সমাপ্ত হয়েছে। এই কাজের মধ্যে প্রায় সমপরিমাণ রাস্তার কাজ হবে। রাস্তা ক্ষতিগ্রস্ত হলেও ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান রাস্তা করে দেবে। কুমারখালী পৌর প্যানেল মেয়র, এস এম রফিক বলেন, বৃষ্টির কারণে কাজে ব্যাঘাত ঘটছে। খুব দ্রুত কাজ শেষ করা হবে।
