কুমারখালীতে গ্রাহকের প্রায় ৫০ কোটি টাকা নিয়ে লাপাত্তা বিশ্বাস ফাউন্ডেশন নামে এক এনজিও - কুষ্টিয়া জিলাইভ | truth alone triumphs

কুমারখালীতে গ্রাহকের প্রায় ৫০ কোটি টাকা নিয়ে লাপাত্তা বিশ্বাস ফাউন্ডেশন নামে এক এনজিও

লেখক: প্রতিবেদক ঢাকা
প্রকাশ: নভেম্বর ২৬, ২০২৩
কুমারখালীতে গ্রাহকের প্রায় ৫০ কোটি টাকা নিয়ে লাপাত্তা বিশ্বাস ফাউন্ডেশন নামে এক এনজিও

কুষ্টিয়া কুমারখালীতে গ্রাহকদের কাছ থেকে আদায় করা সঞ্চয় ও ডিপিএস এর অর্ধ কোটি টাকা নিয়ে বিশ্বাস ফাউন্ডেশন নামে একটি এনজিওর কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের লাপাত্তা হওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

কুমারখালীতে গ্রাহকের প্রায় ৫০ কোটি টাকা নিয়ে লাপাত্তা বিশ্বাস ফাউন্ডেশন নামে এক এনজিও

কুমারখালীতে গ্রাহকের প্রায় ৫০ কোটি টাকা নিয়ে লাপাত্তা বিশ্বাস ফাউন্ডেশন নামে এক এনজিও

কুমারখালীতে গ্রাহকের প্রায় ৫০ কোটি টাকা নিয়ে লাপাত্তা বিশ্বাস ফাউন্ডেশন নামে এক এনজিও

(২৫ নভেম্বর) শনিবার খবর পেয়ে শত শত গ্রাহক অফিসের ভেতর ও বাইরে ভিড় করেন। এক পর্যায়ে তারা টাকা ফেরত পেতে বিক্ষোভ করেন। টাকা ফেরত ও অভিযুক্তদের শাস্তির দাবিতে শনিবার নন্দলালপুর ইউনিয়নের সদরপুর গ্রামে ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান আনিসুর রহমানের বাড়ি ঘেরাও করে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছেন কয়েক শত গ্রাহক।

অভিযুক্ত আনিসুর, সদর পুর গ্রামের মৃত ইব্রাহিম বিশ্বাসের ছেলে। কুমারখালী আলাউদ্দিন নগর বাজারে অফিস ভাড়া নিয়ে বিশ্বাস ফাউন্ডেশন এর কার্যক্রম করে আসছিলেন। সমবায় সমিতি আইন, ২০০২ (সংশোধিত) অনুযায়ী ব্যাংকিং কার্যক্রম জিপিএস, এফডিআর সঞ্চয়পত্র সেভিং হিসাব খুলে কোনো ক্রমেই গ্রাহকদের কাছ থেকে আমানত সংগ্রহ করা যাবে না। অথচ এখানে এসব নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে ক্ষুদ্রঋণের নামে গ্রামের সহজ-সরল লোকের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকার আমানত আদায় করা হয়েছে। আমানতকারীদের টাকা না দিয়ে বেশ কিছুদিন ধরেই অফিসে তালা ঝুলিয়ে লাপাত্তা হয়ে যায় এনজিও কর্তৃপক্ষ।

জানা গেছে, উপজেলা সমবায় অফিস থেকে কোন নিবন্ধন না নিয়ে এনজিও মাঠকর্মীদের নিয়ে এই ঋণদান কর্মসূচি কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন। সমিতির বর্তমানে তিন হাজারের বেশি গ্রাহক রয়েছে। বেশ কিছুদিন ধরে অফিসে তালা দিয়ে এনজিওর মালিক আনিসুর এবং তার মাঠকর্মী উধাও হয়ে যান। সাধারণ মানুষ তাদের সবটুকু সঞ্চয় সমিতিতে জমা রাখেন। গ্রাহকের প্রায় শত কোটি টাকা এই এনজিওতে সঞ্চয় রয়েছে। কয়েক দিন ধরেই সমিতিটি তাদের কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়। হঠাৎ করে সমিতির লোকজন উধাও হয়ে যায়।’

সারমিন বেগম নামে এক জন বলেন, তিনি জমা রেখেছেন ২৪ লাখ টাকা। গ্রামের লোক হয়ে আনিসুর এমন কাজ করবেন তারা ভাবতে পারেননি। এই বিষয়ে অভিযুক্ত আনিসুর এর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তার মোবাইল ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। ভুক্তভোগী সাহেদা খাতুন ও আকবর আলী জানান, এনজিওর কর্মকর্তা তাদেরকে নানা প্রলোভন দেখিয়ে টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। আমাদের কে স্বল্প সুদে ঋণ ও এখানে টাকা রাখলে বেশি টাকা লাভের আশ্বাসে কষ্টে অর্জিত টাকা এনজিওর মাঠ কর্মীদের হাতে তুলে দেয়। ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা তাদের মতো শত শত গ্রাহকের টাকা নিয়ে লাপাত্তা হয়েছে।

কুমারখালী উপজেলা নিবার্হি কর্মকর্তা বিতান কুমার মন্ডল বলেন, বিশ্বাস ফাউন্ডেশন নামে একটি এনজিও গ্রাহকদের টাকা নিয়ে চলে গেছে বলে খবর পেয়েছি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।