কুমারখালীতে ইউপি পরিষদের পুরাতন কার্যালয়ে নৌকার অফিস - কুষ্টিয়া জিলাইভ | truth alone triumphs

কুমারখালীতে ইউপি পরিষদের পুরাতন কার্যালয়ে নৌকার অফিস

লেখক: প্রতিবেদক ঢাকা
প্রকাশ: ডিসেম্বর ২৪, ২০২৩

আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে গত ২০ অক্টোবর ২০২৩ ইং তারিখে নির্বাচনী আচরণ বিধিমালার বিষয়ে প্রজ্ঞাপন দিয়ে জানিয়েছে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন। নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত প্রজ্ঞাপনে নির্বাচনী আচরণ বিধিমালার ৪নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সরকারী ডাক-বাংলো, রেস্ট হাউজ, সার্কিট হাউজ বা কোন সরকারী কার্যালয়কে দল বা প্রার্থীর পক্ষে বা বিপক্ষে প্রচারের স্থান হিসাবে ব্যবহার করা যাবে না বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

কুমারখালীতে ইউপি পরিষদের পুরাতন কার্যালয়ে নৌকার অফিস

কুমারখালীতে ইউপি পরিষদের পুরাতন কার্যালয়ে নৌকার অফিস

অথচ কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার ৭নং বাগুলাট ইউনিয়নে পরিষদের পুরাতন কার্যালয়কে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আচরণ বিধিমালা ভঙ্গ করে নৌকা প্রতীকের প্রচারণার অফিস হিসাবে ব্যবহার করা হচ্ছিল। যা নিয়ে গতকাল শনিবার (২৩ ডিসেম্বর) দৈনিক খবরওয়ালা সহ একাধিক স্থানীয় দৈনিক পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হয়েছিলো। আর সংবাদ প্রকাশের পর পরই বিষয়টি নিয়ে নড়ে চড়ে বসে কর্তৃপক্ষ।

নির্বাচনী আচরণ বিধি মোতাবেক জর্জ এমপি’র ঐ নির্বাচনী অফিসের কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছে ৭নং বাগুলাট ইউনিয়নে পরিষদ কর্তৃপক্ষ। ইউনিয়নে পরিষদের চৌকিদার শ্রী স্বপন কুমারকে দিয়ে ঐ নির্বাচনী অফিসের সমস্ত প্রচারণার সমগ্রী সরিয়ে ফেলা হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। জানা যায়, গত বৃহঃবার (২১ ডিসেম্বর) সন্ধা থেকে বাগুলাট ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান রাশেদুল হক ডাবলুর নেতৃত্বে ওলিদুর রহমান, রিফাত আহাম্মদ শাওন এবং জিহাদুর রহমান এর নির্দেশে নৌকার প্রতীকের প্রচারণার জন্য ইউনিয়ন পরিষদের পুরাতন কার্যালয়কে ব্যবহার করা করছিলেন। ঐদিন সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় ইউনিয়ন পরিষদের পুরাতন কার্যালয়ের দুইপাশে এবং প্রবেশ পথে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী সেলিম আলতাফ জর্জের নৌকা প্রতীকের পোষ্টার সারিবদ্ধভাবে দড়ির সাথে ঝুঁলিয়ে রাখা ছিলো। পরিষদের পুরাতন কার্যালয়ের প্রবেশ ফটকে ছিলো তালা বিহীন এবং ভিতবে পোষ্টার সহ নির্বাচনী প্রচারণার বিভিন্ন সমগ্রী দেখা গিয়েছিলো।

অবশ্য ঐদিন অনেকক্ষণ অপেক্ষা করেও কাউকে কার্যালয়ের ভিতরে বা আশে পাশে পাওয়া যায়নি। অপসারণের বিষয়ে জানতে চাইলে বাগুলাট ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আজিজুল হক নবা বলেন, ইউএনও মহোদয় সকালে আমাকে অপসারণের জন্য ফোন দিয়েছিলো। পরে আমি চৌকিদার ও গ্রামপুলিশের সদস্যদের অপসারণের জন্য ডাকলে, চৌকিদার এবং গ্রামপুলিশের সহযোগিতা উনারা নিজেরাই অপসারণ করেছেন।