মোশারফ হোসেন ॥ কুষ্টিয়া কুমারখালীতে জমে উঠেছে আমের বাজার। উপজেলাতে আমের বাজার কৃষানভোগ, আম্রপালি, হাঁড়িভাঙ্গা ,ক্ষেরসাপাত, ন্যাংড়া, লক্ষণভোগ, হিমসাগর , আম কেনাবেচা জমেছে। তবে বিগত বছরের তুলনায় এবার মৌসুমের শুরু থেকেই আমের দাম বেশি। দাম বেশি হওয়ায় নিম্ন ও নিম্নমধ্যবিত্ত ক্রেতাদের মুখে আমের স্বাদ নেওয়াটা অনেকটা কষ্টকর হয়ে পড়েছে। তবে এবার খুচরা ক্রেতা কম। খুচরা বাজারে এক কেজি আম কিনতে খরচ হচ্ছে ৯০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত। পাইকারি বাজারেও উর্ধ্বমূখি আমের দাম।
সোমবার (২৪ জুন) সকালে কুমারখালী বাজারে গিয়ে দেখা যায়, ছোট সাইজের আম্রপালি বিক্রি হচ্ছে ৩ হাজার ২০০ থেকে ৩ হাজার ৪০০ টাকা মন। বড় সাইজের হিমসাগর বিক্রি হচ্ছে ৩ হাজার ২০০ থেকে ৩ হাজার৬০০ টাকা মণ। হিমসাগর আম বিক্রি হচ্ছে প্রতি মণ ৪ হাজার ৪০০ টাকা থেকে শুরু করে ৪ হাজা টাকা পর্যন্ত। যা গত বছরের সঙ্গে তুলনা করতে গেলে এবার আম প্রায় দ্বিগুণ দামে বিক্রি হচ্ছে। গত বছর গোপালভোগ বিক্রি হয়েছে ১ হাজার ৬০০ থেকে ১ হাজার ৮০০ টাকা মণ। ক্ষীরসাপাত আমের বাজার ছিল ২ হাজার ২০০ টাকা থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকা। খুচরা বাজারে গোপাল ভোগ প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৯০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত। অন্যদিকে ক্ষীরসাপাত বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ১০০ থেকে ১২০ টাকা।
আম বিক্রেতা মুরাদ হোসেন বলেন, এবার আমের দাম বেশি হওয়ায়, আম বিক্রি কম। হিমসাগর আম খুচরা বিক্রি করছি ১০০ টাকা কেজি। আম্রপালির দাম ৯০ টাকা কেজি । গত বছরের তুলনায় এবার আমের দাম দ্বিগুন। গরমে আমের মুকুল পড়ে যাওয়ার আম বাজারে এর প্রভাব পড়েছে।
আম কিনতে আসা রহিম শেখ বলেন, আমের অনেক দাম বেশি এবার। পাঁচ কেজি আম ৫০০’শ টাকা। ৪০ থেকে ৫০ টাকা কেজি আম হলে, আমরা কিনে খেতে পারি। এবার বাজারে আম আমদানি কম হাওয়ায় আমের দাম অনেক বেশি।
কুমারখালী সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, এবার উপজেলাতে ১২৯ হেক্টর জমিতে আমের আবাদ হয়েছে। এবার গরমের কারণে আম কম ফলন হয়েছে। যার কারণে বাজারে আমের দাম একটু বেশী। আমরা আম চাষিদের সকল ধরনের পরামর্শ দিয়ে সাহায্য করেছি। এটা উপজেলাতে দিন দিন আমের চাষ বাড়ছে।
