ভেড়ামারায় টাকা নিয়ে মাতৃত্বকালীন কার্ড ও কর্মসৃজন কাজ দেওয়ার অভিযোগ - কুষ্টিয়া জিলাইভ | truth alone triumphs

ভেড়ামারায় টাকা নিয়ে মাতৃত্বকালীন কার্ড ও কর্মসৃজন কাজ দেওয়ার অভিযোগ

লেখক: প্রতিবেদক ঢাকা
প্রকাশ: মে ২৯, ২০২৩
ভেড়ামারায় টাকা নিয়ে মাতৃত্বকালীন কার্ড ও কর্মসৃজন কাজ দেওয়ার অভিযোগ

মাতৃত্বকালীন ভাতা ও কর্মসৃজন কাজ পেতে এক নারী ইউপি সদস্য জনপ্রতি ২ হাজার থেকে ১৫ শ টাকা নিচ্ছেন। এমন অভিযোগ জুনিয়াদহ ইউপির ৭, ৮ ও ৯ নম্বর সাধারণ ওয়ার্ডের সদস্য জেসমিন খাতুনের বিরুদ্ধে। আর এ কাজে সহযোগীতা করেন তার স্বামী কামাল হোসেন।

ভেড়ামারায় টাকা নিয়ে মাতৃত্বকালীন কার্ড ও কর্মসৃজন কাজ দেওয়ার অভিযোগ

ভেড়ামারায় টাকা নিয়ে মাতৃত্বকালীন কার্ড ও কর্মসৃজন কাজ দেওয়ার অভিযোগ

ভেড়ামারায় টাকা নিয়ে মাতৃত্বকালীন কার্ড ও কর্মসৃজন কাজ দেওয়ার অভিযোগ

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় জুনিয়াদহ ইউপির ৭.৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য জেসমিন খাতুনের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ করেন অত্র ইউপির ৯ নম্বর ওয়ার্ডের চান্দ আলীর স্ত্রী ফাতেমা খাতুন।

জানা যায়, গ্রাম পর্যায়ের মানুষের জীবন যাত্রার মান উন্নত করতে কর্মসৃজন প্রকল্প বা ৪০ দিনের কর্মসৃজন প্রকল্প চালু করেছেন সরকার। অপরদিকে গ্রামের দরিদ্র মায়েদের গর্ভকালীন সময়ে পুষ্টিকর খাবার খেতে মাতৃত্বকালীন ভাতার ব্যবস্থা করেছেন।

সাধারণত মায়েদের পেটে ৩ সপ্তাহের বাচ্চা আসার পর থেকে জেলা ও উপজেলা মহিলা বিষয়ক অধিদফতরের উদ্যোগে স্ব স্ব ইউনিয়ন, উপজেলা, ওয়ার্ড পর্যায়ে পৌর কাউন্সিলর ও ইউপি চেয়ারম্যান, মেম্বারদের প্রস্তুতকৃত তালিকা অনুযায়ী মহিলা বিষয়ক অধিদফতরের যাছাই-বাছাই পূর্বক বিনামূল্যে গরিব-দুস্থ নারীদের গর্ভকালীন সময়ে ভাতা পেতে কার্ড বিতরণ করা হয়ে থাকে।

রোববার সকালে উপজেলার জুনিয়াদহ ইউনিয়নে নারী সদস্য জেসমিন খাতুন উল্লেখিত ওয়ার্ডের বেশ কয়েকজন কর্মজীবী নারীদের কাছ থেকে জনপ্রতি ১৫শ থেকে ২ হাজার টাকা নিয়ে কর্মসৃজন প্রকল্পে কাজ করা নারীদের টাকা দিয়ে থাকেন। মাতৃত্বকালীন ভাতার কার্ড পেতে জনপ্রতি ৫ হাজার থেকে ৬ হাজার টাকা নিয়ে থাকেন।

গ্রামীণ মানুষের জীবন-যাত্রা উন্নত, নিরাপদ করা লক্ষ্যে সরকার প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ অর্থব্যয় করে এসব কর্মসূছি অব্যাহত রেখেছেন। কিন্তু প্রকৃত পক্ষে দরিদ্র, অসচ্ছল, পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর ভাগ্য পরিবর্তনের পরিবর্তে পকেট ভর্তি হচ্ছে নারী ইউপি সদস্য জেসমিন খাতুনের স্বামী কামালের মতো প্রতারকদের।

তবে এ সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ইউপি সদস্য জেসমিন খাতুন। তিনি জানান, চেয়ারম্যানের প্রতি বিশ্বাস করে একটা কার্ড একজন মানুষকে দিয়েছেন।

ইউপি চেয়ারম্যান মো হাসানুজ্জামান জানান, যার যার দায়িত্ব তার তার। যাচাই-বাছাই করে দেয়া হয়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাসিনা মমতাজ মুঠোফোনে জানান, এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।