পৌর কর্তৃপক্ষের বাতিল করা প্লানে কাজ শুরু করেছেন ভুমিদস্যু সালেক - কুষ্টিয়া জিলাইভ | truth alone triumphs

পৌর কর্তৃপক্ষের বাতিল করা প্লানে কাজ শুরু করেছেন ভুমিদস্যু সালেক

লেখক: প্রতিবেদক ঢাকা
প্রকাশ: জুন ৫, ২০২৩
পৌর কর্তৃপক্ষের বাতিল করা প্লানে কাজ শুরু করেছেন ভুমিদস্যু সালেক

কুষ্টিয়া পৌর কর্তৃপক্ষের বাতিল করা প্লানে নির্মাণকাজ শুরু করেছেন শহরের প্রভাবশালী ভুমিদস্যু সালেক মোহম্মদ কাদেরী তাইম। পৌর নীতিমালার কোন তোয়াক্কা না করে কুষ্টিয়া শহরের প্রাণকেন্দ্র রেজওয়ান আলী খান চৌধুরী সড়কের ১৪/১ নং হোল্ডিংয়ে সাততলা বিশিষ্ট ভবনের নির্মাণ কাজ শুরু করেছেন এই ভুমিদস্যু। নক্শা বহিভূক্তভাবে পার্শ্ববর্তী নির্মাণাধীন বহুতল ভবন সংলগ্ন বিশাল গর্ত করে নির্মাণ কাজ ও পাইলিং করায় হেলে গেছে পাশের বহুতল ভবনটি। এতে যে কোন সময় বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে বলে আশংকা করছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা।

পৌর কর্তৃপক্ষের বাতিল করা প্লানে কাজ শুরু করেছেন ভুমিদস্যু সালেক

পৌর কর্তৃপক্ষের বাতিল করা প্লানে কাজ শুরু করেছেন ভুমিদস্যু সালেক

পৌর কর্তৃপক্ষের বাতিল করা প্লানে কাজ শুরু করেছেন ভুমিদস্যু সালেক

ক্ষতিগ্রস্থ ভবন মালিক কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার ও পৌর কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন। পৌর কর্তৃপক্ষ রবিবার দুপুরে সরেজমিন পরিদর্শনে যেয়ে ঘটনার সত্যতা পেয়েছেন। কুষ্টিয়া পৌরসভার সার্ভেয়ার আব্দুল মান্নান বলেন, পৌর নিয়ম না মেনে নক্শা বহিভূক্ত বহুতল ভবনের কাজ শুরু করায় পার্শ্ববর্তী নির্মাণাধীন ভবনটি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে এবং বর্তমানে ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ।

google news

গুগোল নিউজে আমাদের ফলো করুন

সুত্রে জানা যায়, কুষ্টিয়া শহরের প্রাণকেন্দ্র রেজওয়ান আলী খান চৌধুরী সড়কের ১৫/৩ নং হোল্ডিংয়ে ০২২৩ শতক জমির ওপর পাঁচতলা বিশিষ্ঠ বাণিজ্যিক ভবনের প্লান অনুমোদন করে নির্মাণ কাজ শুরু করেন জমির মালিক জুবায়েদ রিপন। শরিকানা ও ক্রয় সুত্রে আরএস ২৫৯৫ দাগে ০২২৩ শতক জমির দলিল থাকলেও পৌর নিয়ম মেনে চারপাশে জামি ফেলে রেখে তিনি মাত্র দেড় শতক জমির ওপর মৃল ভবনটি নির্মাণ করছেন।

বর্তমানে ওই ভবনের চার তলার কাজ নির্মানাধীন রয়েছে। কয়েকদিন আগে হঠাৎ করে পার্শ্ববর্তী জামির মালিক সালেক মোহম্মদ কাদেরী পৌর নিয়ম না মেনে চারপাশে কোন জমি না রেখে নকশা বহিভূক্তভাবে জুবায়েদ রিপনের নির্মানাধীন বহুতল ভবন সংলগ্ন প্রায় ৮ ফুট গর্ত করে পাইলিং শুরু করেন। এমনকি পৌর নিময় অনুযায়ী রিপনের ফেলে রাখা জমির মধ্যে ঢুকে তাঁর ভবন লাগোয়া বিশাল গর্ত করে এই কাজ শুরু করেন।

সুত্রে আরো জানা যায়, সালেক মোহম্মদ কাদেরী আরএস ২৫৯৫ দাগে একটি দলিলে ক্রয় সুত্রে মাত্র ০৯৪ শতক জমির মালিক। আর তার বোন সাবিনা কেয়া একই দাগে ১.৬০ শতক জমি শতক মালিক। অথচ ভুমিদস্যু সালেক মোহম্মদ কাদেরী পার্শ্ববর্তী ওই ভবন মালিকের জায়গা দখল করে প্রায় ৩ শতক ৪০ পয়েন্ট জমির ওপর নির্মাণ কাজ শুরু করেছেন। এতে তাঁর নির্মানাধীন বহুতল ভবন অত্যন্ত ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে। যে কোন সময় ভবনটি ধসে পড়তে পারে।

জুবায়েদ রিপন বলেন, মামলার তথ্য গোপন করে ২০২০ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর ৫১১০৪ নং রশিদমূলে সাততলা বিশিষ্ট ভবনের প্লান অনুমোদন করায় সালেক মোহম্মদ কাদেরী। পরে পৌর কর্তৃপক্ষ বিষয়টি অবগত হলে সালেক মোহম্মদ কাদেরীর অনুমোদনকৃত প্লানটি বাতিল করেন। বাতিলকৃত ওই প্লানের ওপর আমার ফেলে রাখা জমি দখল করে পৌর নীতিমালার কোন তোয়াক্কা না করে ভবনের কাজ শুরু করেছেন। নক্শা বহিভূক্ত আমার নির্মাণাধীন ভবন ঘেসে বিশাল গর্ত করে পাইলিং করায় আমার ভবনটি একদিকে হেলে গেছে। এতে ভবনটি ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে ভবনটি চরম ঝুঁকির মধ্যে আছে। দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে আমি সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করেছি।

আরও পড়ুন: