কুষ্টিয়া হাইওয়ে থানার ওসির বিরুদ্ধে বিস্তর অভিযোগ - কুষ্টিয়া জিলাইভ | truth alone triumphs

কুষ্টিয়া হাইওয়ে থানার ওসির বিরুদ্ধে বিস্তর অভিযোগ

লেখক: প্রতিবেদক ঢাকা
প্রকাশ: মার্চ ২৯, ২০২৩

কুষ্টিয়া হাইওয়ে থানার ওসির বিরুদ্ধে বিস্তর অভিযোগ। কুষ্টিয়া হাইওয়ে পুলিশকে নিয়মিত মাসওড়া দিয়ে দাফিয়া বেড়াচ্ছে অসংখ্য অবৈধ যানবাহন। এতে প্রতিনিয়ত ঘটছে ছোটখাটো দুর্ঘটনা। এ ছাড়াও রাস্তায় গাড়ি আটকিয়ে হাইওয়ে পুলিশের বিরুদ্ধে অবৈধ যানবাহন থেকে চাঁদাবাজীর অভিযোগ উঠেছে।

কুষ্টিয়া হাইওয়ে থানার ওসির বিরুদ্ধে বিস্তর অভিযোগ

কুষ্টিয়া হাইওয়ে থানার ওসির বিরুদ্ধে বিস্তর অভিযোগ

কুষ্টিয়া হাইওয়ে থানার ওসির বিরুদ্ধে বিস্তর অভিযোগ

জানা যায় মহাসড়কে চলাচলকারী নসিমন, করিমন, সিএনজি, মাহিন্দ্রা, ফিটনেস বিহীন ড্রাম ট্রাক ও ব্যাটারি চালিত অটোসহ বিভিন্ন অবৈধ যানবাহন থেকে মাসোহারা নিয়ে হাইওয়েতে গাড়ি চলাচলে অনুমতি দেয় হাইওয়ে পুলিশ।

এইসব অবৈধ গাড়ি মহাসড়কে চলাচলের জন্য একটি সাংকেতিক নাম ব্যবহার করা হয়। সাংকেতিক নাম হল “আকাশ”। এই আকাশই মূলত কুষ্টিয়া হাইওয়ে থানার ওসি দেবব্রত রায়ের দেয়া সাংকেতিক চিহ্ন। এই নাম বললেই অন্যান্য সার্জনরা গাড়িটি ছেড়ে দেয়। এই নাম ব্যবহার করে কুষ্টিয়ার বিভিন্ন সড়কে চলছে এসব অবৈধ যানবাহন থেকে মাশহারা আদায়। গাড়ী ধরে জোর পূর্বক অসহায়দের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেওয়ার ও অভিযোগ উঠেছে।

google news

গুগোল নিউজে আমাদের ফলো করুন

 

এ বিষয়ে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, নসিমন করিমন মাহিন্দ্রা সিএনজি অটোরিকশা এগুলোর আলাদা আলাদা সংগঠন অথবা সমিতি রয়েছে। এইসব সমিতির অথবা হাইওয়ে থানার ওসির সাথে যাদের লিংক রয়েছে তাদের মাধ্যমে বিভিন্ন অংকের মাসোহারা নিয়ে থাকেন। কুষ্টিয়া থেকে বৃত্তিপাড়া, কুষ্টিয়া থেকে কুমারখালী খোকসা, কুষ্টিয়া থেকে ভেড়ামারা, কুষ্টিয়া থেকে মিরপুর গাংনীসহ বিভিন্ন রুটে যাওয়া-আসা নসিমন করিমন মাহিন্দ্রা সিএনজি অটোরিক্সাসহ বিভিন্ন ধরনের অবৈধ যানবাহন ও ফিটনেস বিহীন গাড়ি থেকে মাসোহারা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

এছাড়াও কুষ্টিয়াতে আসা বিভিন্ন মাছের গাড়ি ও বিভিন্ন ট্রান্সপোর্ট এর কাছ থেকেও মাসোহারা নেয়ার অভিযোগ উঠেছে। শুধু গাড়ি থেকেই নয় বিভিন্ন ইটভাটাসহ বিভিন্ন হাইওয়ে সড়কের উপরে হোটেল গুলো থেকেও মাসহারা নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

কিছু চালকদের সাথে কথা বলে এর সত্যতা মিলেছে। এতে সাধারণ চালকরা দিন দিন আতঙ্কিত হয়ে উঠছে হাইওয়ে থানার প্রতিনিয়ত চাঁদাবাজিতে। অভিযানের নামে নিরীহ মানুষের কাছ থেকে নানা ভাবে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। গাড়ী ধরে টাকার বিনিময়ে ওই সব গাড়ী আবার ছেড়েও দিচ্ছে। এভাবে প্রতিনিয়ত মানুষের কাছ থেকে নানা ভাবে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে কুষ্টিয়া হাইওয়ে থানার পুলিশ এবং এর ভাগ পাচ্ছেন হাইওয়ে থানার ওসি।

কয়েকজন নসিমন করিমন চালক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, আমরা গরিব মানুষ। আগে মাঠে কাজ করতাম। এখন আর মাঠে কাজ করতে পারিনা। আমাদের হাইওয়েতে গাড়ি চালাইতে হলে মাসে টাকা দিতে হয়। তা না দিলে আমাদের প্রতি মাসে ২৫০০ টাকার একটা করে কেস দিয়ে দেয়। এজন্য বাধ্য হয়েই টাকা দিতে হয়। কখনো বিকাশ নাম্বারে টাকা পাঠাইতে হয় অথবা তার যাদের সাথে লিংক আছে তাদের মাধ্যমে দিতে হয়। তারা এও স্বীকার করেন হাইওয়ে থানার ওসি দেবব্রত রায় আকাশ পরিচয়ে টাকা উত্তোলন করে থাকেন।

এ বিষয়ে কুষ্টিয়া হাইওয়ে থানার ওসি দেবব্রত রায় এর মুঠো ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন অফিসে আসুন কথা হবে। মোবাইলে বলা যাবে না।

আরও পড়ুন: