ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন শতভাগ সফল করতে কুষ্টিয়ায় লিফলেট বিতরণ - কুষ্টিয়া জিলাইভ | truth alone triumphs

ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন শতভাগ সফল করতে কুষ্টিয়ায় লিফলেট বিতরণ

লেখক: প্রতিবেদক ঢাকা
প্রকাশ: জুন ১৭, ২০২৩
ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন শতভাগ সফল করতে কুষ্টিয়ায় লিফলেট বিতরণ

কুষ্টিয়ায় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন শতভাগ সফল করতে সাধারণ মানুষের মাঝে লিফলেট বিতরণ করেছে কুষ্টিয়া ক্যান্সার সোসাইটি। ১৮ জুন রবিবার সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪ টা পর্যন্ত ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস পর্যন্ত বয়সী ২ কোটি ২০ লাখ শিশুকে দেশের সব সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্র এবং অন্যান্য নির্ধারিত স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে একযোগে ভিটামিন এ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। এ উপলক্ষ্যে ৬-৫৯ মাস বয়সী সব শিশুকে ভিটামিন এ খাওয়ানোর জন্য সচেতনতামূলক এই কার্যক্রম পরিচালনা করে কুষ্টিয়া ক্যান্সার সোসাইটি।

ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন শতভাগ সফল করতে কুষ্টিয়ায় লিফলেট বিতরণ

ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন শতভাগ সফল করতে কুষ্টিয়ায় লিফলেট বিতরণ

ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন শতভাগ সফল করতে কুষ্টিয়ায় লিফলেট বিতরণ

এতে সহযোগিতা করে সামাজিক সংগঠন কৃষকের বাতিঘর ও কৃষিবিডি। শুক্রবার (১৬ জুন) দিনব্যাপী কুষ্টিয়ার মিরপুর ও দৌলতপুর উপজেলার কচুবাড়ীয়া, নিমতলা, পাহাড়পুর, লক্ষ্মীপুর, তালবাড়ীয়া, কালিদাসপুর, শাহপুর, সদরপুর, মোচাইনগর, চরপাড়া, আমলা ও লালনগর গ্রামের বিভিন্ন বাজারে এই সংক্রান্ত লিফলেট বিতরণ করা হয়। এসময় দুই উপজেলার গ্রামের সাধারণ মানুষের মধ্যে প্রায় তিন হাজার লিফলেট বিতরণ করা হয়েছে।

লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি পরিচালনা করেন কুষ্টিয়া ক্যান্সার সোসাইটির সদস্য সজীব ইসলাম, মাহফুজ আহমেদ, সাব্বির হোসেন, রয়েল, বিপ্রদেব কৃষকের বাতিঘর সংগঠনের সদস্য জিনিয়া আক্তার, সাদিয়া ইসলাম, জান্নাতুল লোবা সহ আরও অনেকে।

google news

গুগোল নিউজে আমাদের ফলো করুন

লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি সম্পর্কে কুষ্টিয়া ক্যান্সার সোসাইটির সভাপতি মো.ফরিদুল ইসলাম বলেন, এ বছর দেশের ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী ২৫ লাখ শিশুকে, ১২-৫৯ মাস বয়সী শিশু ১ কোটি ৯৫ লাখ শিশু সহ ১২-৫৯ মাস বয়সী মোট ২ কোটি ২০ লাখ শিশুকে লাল ও নীল রঙের ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। আমরা চাই আমাদরে কুষ্টিয়া জেলার একটি শিশুও যেন ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়া থেকে বাদ না যায়। তিনি বলেন, আমরা লিফলেট বিতরণের সময় সাধারণ মানুষকে এটা অবহিত করেছি যে, ভিটামিন এ’ ক্যাপসুল শিশুর জন্য সম্পূর্ণ নিরাপদ এবং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভিটামিন এ’ শুধুমাত্র অপুষ্টিজনিত অন্ধত্ব থেকে শিশুদের রক্ষা করে তাই নয়, ভিটামিন ‘এ’ শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে, ডায়রিয়ার ব্যাপ্তিকাল ও জটিলতা কমায় এবং শিশু মৃত্যুর ঝুঁকি কমায়। তাই সকলে যেন ১৮ তারিখে ৬ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ায়।

কুষ্টিয়া ক্যান্সার সোসাইটির সদস্য সজীব ইসলাম জানান, আমরা যখন লিফলেট বিতরণ করেছি, তখন আমরা সবাইকে এটাও জানিয়েছি যে, শিশুকে অবশ্যই ভরা পেটে এই ক্যাপসুল খাওয়াতে হবে। ভিটামিন এ ক্যাপসুলের মুখ কেটে ভেতরে থাকা তরল ওষুধ চিপে খাওয়ানো হয়। তাই জোর করে বা কান্নারত অবস্থায় ক্যাপসুল খাওয়ানো ঠিক নয়। এতে ক্যাপসুলের তরল লালার সঙ্গে বেরিয়ে যেতে পারে। তারা এসব তথ্য জেনে উপকৃত হয়েছেন এবং নিজেদের শিশুকে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়াতে ভুলেবন না বলে জানিয়েছেন সকলে।

কৃষকের বাতিঘর সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা হোসাইন মোহাম্মদ সাগর ও কৃষিবিডির পরিচালক মো. জাহিদ হাসান জিহাদ বলেন, শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো খুবই জরুরি। তাই অভিভাবকদের খেয়াল রাখতে হবে তার সন্তানকে যেন অবশ্যই ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হয়। এই বিষয়ে কুষ্টিয়া ক্যান্সার সোসাইটির সচেতনতামূলক কার্যক্রমে সহযোগিতা করতে পেরে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত। আজকের শিশুরাই আমাদের আগামী দিনের ভবিষ্যত। তাই তাদের সুষ্ঠ ও সুন্দরভাবে বেড়ে ওঠার পরিবেশ নিশ্চিত করা আমাদেরই দায়িত্ব।

কুষ্টিয়ায় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন শতভাগ সফল করতে ৬-৫৯ মাস বয়সী সব শিশুকে ভিটামিন এ খাওয়ানোর জন্য সাধারণ মানুষের মধ্যে আরও বেশি সচেতনতা গড়ে তুলতে আজকেও মিরপুর ও দৌলতপুর উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে আরও লিফলেট বিতরণ করা হবে বলেও জানায় কুষ্টিয়া ক্যান্সার সোসাইটি, কৃষকের বাতিঘর এবং কৃষিবিডি কর্তৃপক্ষ।

আরও পড়ুন: