বিশেষ প্রতিনিধি ॥ কুষ্টিয়ায় স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৯০ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির উদ্যোগে সোমবার (১৯ জানুয়ারি) বাদ মাগরিব কুষ্টিয়া জেলা বিএনপি কার্যালয়ে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, জেলা বিএনপির আহবায়ক কুতুব উদ্দিন আহমেদ। প্রধান বক্তা ছিলেন, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব প্রকৌশলী জাকির হোসেন সরকার। অনুষ্ঠানে জেলা বিএনপির সদস্য আব্দুল মঈদ বাবুল এর উপস্থাপনায়, বিশেষ অতিথি ছিলেন, জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক মিরাজুল ইসলাম রিন্টু, পৌর বিএনপির সাবেক আহবায়ক শওকত হাসান বুলবুল,
জেলা বিএনপির সদস্য আবু তালেব, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি আব্দুল হাকিম মাসুদ, জেলা কৃষক দলের আহবায়ক আরিফুর রহমান সুমন, জিয়া স্মৃতি পাঠাগারের সভাপতি আব্দুল মজিদ, সাধারণ সম্পাদক ও সদর উপজেলা বিএনপি সাংগঠনিক সম্পাদক আলমগীর হোসেন, সদর উপজেলা বিএনপি সাবেক সদস্য অধ্যাপক মাহাবুব আলম বিশু, জিয়া স্মৃতি পাঠাগারের কোষাধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম, বিএনপি নেতা টোকেন, ইবি ছাত্র দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট রাশিদুল ইসলাম রাশেদ, জেলা ছাত্র দলের সাবেক সভাপতি মাহফুজুর রহমান মিথুনসহ জেলা বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন।
এসময় কুতুব উদ্দিন আহমেদ বলেন, স্বাধীনতার ঘোষক, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক ছিলেন। তিনি এমন একজন রাষ্ট্রনায়ক, যিনি সংকটময় সময়ে জাতিকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে তাঁর স্বাধীনতার ঘোষণা এ দেশের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করে মুক্তির সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়তে সাহস জুগিয়েছিল। যুদ্ধোত্তর সময়ে তিনি রাষ্ট্র পরিচালনায় শৃঙ্খলা, সুশাসন ও উৎপাদনমুখী অর্থনীতির যে দর্শন প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, তা আজও আমাদের জন্য অনুকরণীয়।
প্রকৌশলী জাকির হোসেন সরকার বলেন, আজ আমরা এখানে সমবেত হয়েছি স্বাধীনতার ঘোষক, শহীদ রাষ্ট্রপতি ও বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক শহীদ জিয়াউর রহমানের ৯০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে তাঁর কর্মময় জীবন ও অবদান স্মরণ করতে। শহীদ জিয়াউর রহমান ছিলেন একজন দূরদর্শী রাষ্ট্রনায়ক। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে তাঁর স্বাধীনতার ঘোষণা জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করে মুক্তির সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়তে সাহস যুগিয়েছিল। স্বাধীনতার পর দেশ যখন নানা সংকটে জর্জরিত, তখন তিনি দায়িত্ব নিয়ে বাংলাদেশকে স্থিতিশীলতা, শৃঙ্খলা ও উন্নয়নের পথে এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। তিনি আরো বলেন, জিয়াউর রহমান বিশ্বাস করতেন উন্নয়নের মূল শক্তি হচ্ছে সাধারণ মানুষ। কৃষক, শ্রমিক, মেহনতি মানুষের অধিকার রক্ষা এবং উৎপাদনমুখী অর্থনীতি গড়ে তোলার ওপর তিনি সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়েছিলেন। তাঁর প্রবর্তিত “বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদ” এ দেশের মানুষের আত্মপরিচয়, সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় ঐক্যকে সুদৃঢ় করেছে। আমরা আগামী দিনে তার আদর্শ ধারন করে সকলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করবো ইনশাআল্লাহ। পরে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।
