ইবি প্রতিনিধি ॥ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের খাদেমুল হারামাইন বাদশাহ ফাহদ বিন আব্দুল আজিজ কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারে ‘ইসলামিক ফাউন্ডেশন কর্ণার’ এর উদ্বোধন করা হয়েছে। এতে মোট ১৭২৭ টি বই স্থান পেয়েছে বলে জানা গেছে। গতকাল মঙ্গলবার (৩ মার্চ) দুপুর ১২ টার দিকে কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের দ্বিতীয় তলায় ফিতা কেটে এ কর্নারের উদ্বোধন করেন উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার পরিচালনা কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ। পরে উদ্বোধনকৃত কর্নারে কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের উপ-রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর সঞ্চালনায় এক সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. এয়াকুব আলী ও ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন ভারপ্রাপ্ত গ্রন্থাগারিক খোন্দকার আব্দুল মজিদ। বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় সভাপতিবৃন্দ ও শিক্ষক-কর্মকর্তাবৃন্দ সেখানে উপস্থিত ছিলেন। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এয়াকুব আলী বলেন, অনেক শিক্ষক বিদেশে পিএইচডি করতে যাওয়ার সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইব্রেরির বই নিয়ে গেছেন। লাইব্রেরির বই কারো বাসায় থাকার কথা না। আমি অনেক শিক্ষকের বাসায় এই লাইব্রেরির বই দেখেছি।
ছাত্ররা যেখানে পর্যাপ্ত বই পায় না সেখানে শিক্ষকদের বাসায় বই রেখে দেওয়া উচিত নয়। শিক্ষকদের কাছে থাকা এই বই গুলো দ্রুত সংগ্রহ করতে পদক্ষেপ নিতে হবে। এসময় ইবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ বলেন, দীর্ঘ একটি প্রচেষ্টার পর আমরা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ইসলামিক ফাউন্ডেশন কর্ণার স্থাপন করতে সফল হয়েছি। ইসলামি ফাউন্ডেশন বিগত ১৭ বছরে অনেক বই প্রকাশ করতে পারে নাই। এসব প্রকাশনীর উদ্দেশ্য ছিলো ইসলামী জ্ঞানের প্রচার ও প্রসার। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় গুলোর লাইব্রেরিতেই যদি এই বই গুলো না থাকে তাহলে ছাত্ররা ইসলামী প্রকাশনা সম্পর্কে জানবে কীভাবে। এজন্য আমি বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে ইসলামিক ফাউন্ডেশন কর্ণার করার প্রস্তাব দিয়েছিলাম। ইসলামী সাহিত্যে অনেক আরবী বই আছে যা বাংলা ভাষায় নেই। বইগুলো আরো সহজলভ্য করতে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মতো প্রকাশনা গুলোর প্রসার জরুরি।
