কুষ্টিয়া-২ (মিরপুর-ভেড়ামারা) আসনের ট্রাক প্রতীকের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী কামারুল আরেফিন বলেছেন-জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে ভেড়ামারা-মিরপুরের আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের নির্দেশে, মুক্তিযোদ্ধাদের নির্দেশে আজ আমি প্রার্থী হয়েছি।

আমি প্রার্থী হয়েছি আজ আপনাদের মুখের দিকে তাকিয়ে, আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের মুখের দিকে তাকিয়ে, অনেক কর্মীদের অসহ্য যাতনার ভিতর দিকে তাকিয়ে। কারন উনি নৌকা নিয়ে নির্বাচন করেন, এমনভাবে নৌকার জিকির তোলেন, তার মুখ দিয়ে খালি নৌকা উচ্চারিত হয়। কিন্তু ভোটের পরের দিনই উনি মশাল হয়ে যান। উনি হাসানুল হক ইনু তখন চৌদ্দ দলের জোটে থাকেনা। তখন একটাই দল থাকে, খায়ে দায়ে শোধ- তার নাম জাসদ। তিনি আরো বলেন ১৪ সালে নির্বাচনে উনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় নির্বাচিত হয়েছেন, আমরা দাঁড়াই নাই। ১৮ সালের নির্বাচনে নেত্রী হুকুম দেয় নাই, আমরা দাড়াই নাই। আমরা শুধু প্রতিবাদ করেছিলাম, ভোট দেবনা।
তারপরে জননেত্রীর নির্দেশে মাহবুবউল আলম হানিফ সাহেবের বাড়িতে বসে নাকে খত দিয়ে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সাথে ওয়াদা করে উনি ভোটে দাড়িয়েছিলেন, আড়াইদিনের ব্যবধানে তাকে আমরা তাকে বিপুল ভোটে জিতিয়েছিলাম। উনি জিতলেন, শেষ রাত্রে আবার সেই নৌকা উনার কাছে কাগজের নৌকা হলো। আমার চাঁদগ্রামের সিদ্দিক মন্ডল ও সঞ্জয় প্রামানিককে হত্যার মাধ্যমে উনি প্রমান করে দিলেন, উনি জাসদের লোক, আওয়ামী লীগের লোক না। আমি শুধু নৌকা নিয়ে ভোটের জন্য আসি। গতকাল সোমবার ১লা জানুয়ারি বিকেল হতে রাত পর্যন্ত ভেড়ামারা বাসষ্ট্যান্ড, বারোমাইল ও মসলেমপুরের জনসভায় কুষ্টিয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী কামারুল আরেফীন এসব কথা বলেন। এ সময় ভেড়ামারা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আক্তারুজ্জামান মিঠু, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব শামিমুল ইসলাম ছানা সহ স্থানীয় আওয়ামী লীগের কয়েক হাজার নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
