আ’লীগ নেতারা রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার পরিবর্তে সামাজিক দ্বন্দ্বে মেতে উঠেছে : তণু - কুষ্টিয়া জিলাইভ | truth alone triumphs

আ’লীগ নেতারা রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার পরিবর্তে সামাজিক দ্বন্দ্বে মেতে উঠেছে : তণু

লেখক: প্রতিবেদক ঢাকা
প্রকাশ: জানুয়ারি ২, ২০২৪

আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুষ্টিয়া সদর-৩ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মোঃ পারভেজ আনোয়ার তণু বলেছেন, কুষ্টিয়া সদর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে নির্বাচনী প্রচারণাকালে দেখতে পেলাম আওয়ামীলীগ নেতারা রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার পরিবর্তে সামাজিক দ্বন্দ্বে মেতে উঠেছে।

আ’লীগ নেতারা রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার পরিবর্তে সামাজিক দ্বন্দ্বে মেতে উঠেছে : তণু

তিনি বলেন, রাজনীতিতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকবে এটাই স্বাভাবিক কিন্তু প্রতিদ্বন্দ্বিতার পরিবর্তে তারা একে অন্যের বিরুদ্ধে মামলার পরামর্শ এবং মামলা-হামলা করে সামাজিক দ্বন্দ্ব অনেক বড় করে তুলেছে। বিশেষ করে দলে অনু প্রবেশকারীদের হাতে এ মামলা-হামলার স্বীকার হচ্ছে ত্যাগি ও দূর্দিনের নেতা-কর্মীরা। এতে করে একদিকে যেমন দলের ক্ষতি হচ্ছে, অন্যদিকে সামাজিক অবক্ষয় দেখাদিচ্ছে।তণু বলেন, এ দ্বন্দ্ব থেকে আমাদের বেড়িয়ে আসতে হবে। সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য সবাইকে এক এবং ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে।

তণু বলেন, আমি বয়সে নবীন। আমি নির্বাচিত হলে প্রয়োজনে নেতা-কর্মীদের হাতে-পায়ে ধরে এ সামাজিক দ্বন্দ্ব নিরসন করবো। কারন এভাবে দ্বন্দ্ব চলতে থাকলে যুবসমাজ সন্ত্রাসেরদিকে এগিয়ে যাবে, যা কখনই আমাদের কাম্য হতে পারেনা। তণু বলেন, আমি কুষ্টিয়া সদরকে সন্ত্রাস, দুর্ণীতি ও মাদকমুক্ত দেখতে চাই। যুবসমাজের উন্নয়নে আমিস বসময় কাজ করতে চাই। তণু বলেন, অবহেলিত কুষ্টিয়া সদর এখনও বিভিন্ন ক্ষেত্রে উন্নয়নের দিকদিয়ে পিছিয়ে আছে। দলমত নির্বিশেষে আগামী ৭ জানুয়ারি ঈগল প্রতীকে ভোট প্রদানের মাধ্যমে আমাকে নির্বাচিত করে বিভিন্ন কার্যক্রমের মাধ্যমে তরুণ সমাজের উন্নয়নের পাশাপাশি আধুনিক ও দেশেরমধ্যে মডেল কুষ্টিয়া সদর গড়ার সুযোগ দিন। গতকাল কুষ্টিয়া শহরও সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় নির্বাচনী ক্যাম্প উদ্বোধন ও গণসংযোগ কালে স্বতন্ত্র প্রার্থী মোঃ পারভেজ আনোয়ার তণু এসব কথা বলেন।

তিনিদিন ব্যাপি নিজকর্মী ও সমর্থকদের সাথে নিয়েপৌর ১০ নং ওয়ার্ড, সদর উপজেলার পূর্ব আব্দালপুর, মহাদেবপাড়া, ইবি থানার শান্তি ডাঙ্গাসহ বিভিন্ন এলাকায় নির্বাচনী ক্যাম্প উদ্বোধন ও গণসংযোগ করেন। এসময় শত-শতনারী-পুরুষ তণুকে একনজর দেখার জন্য ছুটে আসে। তারা ঈগল প্রতীকে ভোট প্রদানের প্রতিশ্রুতি দেন।