কুষ্টিয়া জিলাইভ | truth alone triumphs

কুষ্টিয়ায় ১শ’ ৫৫ অবৈধ ইটভাটা!

সদর-মিরপুরে বৈধ ভাটা শূন্য

 

 

 

বিশেষ প্রতিনিধি ॥ কুষ্টিয়ায় পরিবেশ আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে চলছে ১৫৫টি অবৈধ ইটভাটা। জেলার ছয়টি উপজেলায় পরিবেশ অধিদপ্তরের হিসাবেই রয়েছে এসব অবৈধ ভাটার অস্তিত্ব। বিপরীতে পুরো জেলায় বৈধ ইটভাটার সংখ্যা মাত্র ১৭টি। সবচেয়ে উদ্বেগজনক পরিস্থিতি কুষ্টিয়া সদর ও মিরপুর উপজেলায়। এ দুই উপজেলায় একটিও বৈধ ইটভাটা নেই, অথচ সদর উপজেলায় ২৮টি এবং মিরপুরে ৩৫টি অবৈধ ইটভাটা রয়েছে। অর্থাৎ বৈধতার বাইরে থাকা ৬৩টি ইটভাটার অস্তিত্ব রয়েছে শুধু এ দুই উপজেলাতেই।

 

অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে অভিযান, জরিমানা ও স্থাপনা ভেঙে দেওয়ার পরও অনেক ভাটা পুনর্র্নিমাণের তথ্য জানিয়েছেন পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা। এতে প্রশ্ন উঠেছে, অভিযান চালানোর পরও কীভাবে একই ভাটা আবার গড়ে উঠছে? কারা এসব ভাটা পরিচালনার সুযোগ পাচ্ছেন? প্রশাসনের নজরদারি ও আইন প্রয়োগের কার্যকারিতা নিয়েও দেখা দিয়েছে প্রশ্ন। অন্যদিকে ইটভাটার মালিকদের একাংশের দাবি, প্রচলিত আইন ও লাইসেন্সপ্রাপ্তির জটিলতায় তারা ব্যবসায়িক ক্ষতির মুখে পড়ছেন। ফলে একদিকে পরিবেশ রক্ষায় আইন প্রয়োগের দাবি, অন্যদিকে ইটভাটা শিল্প টিকিয়ে রাখার প্রশ্ন—দুইয়ের মাঝখানে জটিল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

 

পরিবেশ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, কুষ্টিয়া জেলায় বৈধ ইটভাটা ১৭টি এবং অবৈধ ১৫৫টি। উপজেলাভিত্তিক হিসাবে সদর উপজেলায় ২৮টি, মিরপুরে ৩৫টি, ভেড়ামারায় ৩৪টি, দৌলতপুরে ২৬টি, কুমারখালীতে ২৯টি এবং খোকসায় তিনটি অবৈধ ইটভাটা রয়েছে। অন্যদিকে সদর ও মিরপুরে বৈধ ভাটা নেই। ভেড়ামারায় বৈধ ভাটা তিনটি, দৌলতপুরে একটি, খোকসায় চারটি এবং কুমারখালীতে নয়টি। সব মিলিয়ে বৈধ ভাটার সংখ্যা ১৭টি।

 

সরকারি হিসাবেই বৈধ ইটভাটার তুলনায় অবৈধ ভাটার সংখ্যা প্রায় ৯ গুণ। বিশেষ করে সদর ও মিরপুরে বৈধ ভাটা না থাকার পরও বিপুলসংখ্যক অবৈধ ভাটার অস্তিত্ব জেলার ইটভাটা খাতের নিয়ন্ত্রণ ও তদারকি নিয়ে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

 

অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে পরিবেশ অধিদপ্তরের অভিযান নতুন নয়। জরিমানা, নোটিশ, স্থাপনা ভেঙে দেওয়া এবং সতর্ক করার মতো পদক্ষেপ নেওয়ার পরও পরিস্থিতির দৃশ্যমান পরিবর্তন কতটা হয়েছে, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তার বক্তব্য অনুযায়ী, গত বছর যেসব অবৈধ ভাটার বিরুদ্ধে অভিযান চালানো হয়েছিল, সেগুলোর অনেকগুলোই পরে পুনর্র্নিমাণ করা হয়েছে।

 

এমন পরিস্থিতিতে শুধু অভিযান পরিচালনা করাই যথেষ্ট কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। কোনো ভাটা ভেঙে দেওয়ার পর সেটি আবার নির্মাণ করা হলে সংশ্লিষ্ট মালিকের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে? পুনর্নির্মিত ভাটাগুলো চিহ্নিত করে আবারও অভিযান চালানো হয়েছে কি না? যেসব ভাটার বিরুদ্ধে একাধিকবার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে আইন প্রয়োগের ধারাবাহিকতা কতটা বজায় রয়েছে? এসব প্রশ্নের উত্তর স্পষ্ট হওয়া জরুরি।

 

অবৈধ ভাটা বন্ধে অভিযান পরিচালনার পাশাপাশি পুনর্র্নিমাণ ঠেকানো, নিয়মিত নজরদারি এবং আইন লঙ্ঘনের ঘটনায় কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন বলে মনে করছেন সচেতন মহল। অন্যথায় অভিযান ও জরিমানার পরও অবৈধ কার্যক্রম চালু থাকার প্রবণতা ঠেকানো কঠিন হয়ে পড়তে পারে।

 

ইট তৈরির অন্যতম প্রধান উপাদান মাটি। আর সেই মাটি কৃষিজমি থেকে সংগ্রহ করা হলে জমির উপরিভাগের উর্বর স্তর ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। দীর্ঘদিন ধরে কৃষিজমির মাটি কেটে নেওয়া হলে জমির উৎপাদনক্ষমতা কমতে পারে, ব্যাহত হতে পারে ফসল উৎপাদন। কুষ্টিয়ার বিভিন্ন এলাকায় ইটভাটায় ব্যবহারের জন্য কৃষিজমির মাটি সংগ্রহের অভিযোগ রয়েছে।

 

স্থানীয়দের অভিযোগ, কোথাও কোথাও কৃষিজমির মাটি কেটে নেওয়া হচ্ছে, আবার কোথাও ইট পোড়ানোর কাজে কাঠ ব্যবহারের অভিযোগ রয়েছে। এসব অভিযোগের সঙ্গে নির্দিষ্ট ভাটার নাম, জমির অবস্থান ও প্রমাণ যুক্ত করে তদন্তের মাধ্যমে দায়ীদের শনাক্ত করা প্রয়োজন। কারণ, কৃষিজমির ক্ষতি শুধু জমির মালিকের ক্ষতি নয়; দীর্ঘমেয়াদে তা কৃষি উৎপাদন ও খাদ্যনিরাপত্তার ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে।

 

ইটভাটার ধোঁয়া ও সূক্ষ্ম কণা বায়ুদূষণের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। ভাটায় কাঠ ব্যবহার করা হলে বৃক্ষসম্পদের ওপর চাপও বাড়ে। আশপাশের বসতি, কৃষিজমি ও জনস্বাস্থ্যের ওপর সম্ভাব্য প্রভাবের কারণে অবৈধ ভাটার পাশাপাশি বৈধ ভাটাগুলোর পরিবেশগত শর্ত মেনে চলার বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ।

 

পরিবেশ অধিদপ্তরের তালিকা অনুযায়ী, ভেড়ামারা উপজেলায় বৈধ ইটভাটা তিনটি। এগুলো হলো পশ্চিম বাহিরচর এলাকার ফোর স্টার ব্রিকস, হাওয়াখালী এলাকার এমএসবি ব্রিকস এবং দশ মাইলের কেএনবি অটো ব্রিকস।

 

দৌলতপুর উপজেলায় বৈধ ইটভাটা মাত্র একটি—আল্লারদর্গার নুরুজ্জামান বিশ্বাস অটো ব্রিকস। খোকসা উপজেলায় রয়েছে চারটি। এগুলো হলো বিজলানি এলাকার মেসার্স এ এম ব্রিকস, একই এলাকার মেসার্স এ এম ব্রিকস-২, বেতবাড়িয়া এলাকার মেসার্স এমএস ব্রিকস এবং পাইকপাড়া এলাকার মেসার্স এসএম ব্রিকস।

 

কুমারখালী উপজেলায় বৈধ ইটভাটা রয়েছে নয়টি। এর মধ্যে শিলাইদহ খোরশেদপুর এলাকার শিলাইদহ ব্রিকস কোম্পানি ও মেসার্স নুরজাহান ব্রিকস অ্যান্ড ব্রাদার্স, শিলাইদহ মাজঘাম এলাকার জোয়ার্দ্দার ব্রিকস কোম্পানি ও আজিজ ব্রিকস অ্যান্ড সন্স, হাসিমপুরের কল্যাণপুর এলাকার কল্যাণপুর ব্রিকস কোম্পানি, শিলাইদহের বেলগাছি এলাকার মেসার্স তারেক ব্রিকস ও মেসার্স তারেক ব্রিকস-২, বাটিকামারা এলাকার মেসার্স ব্রিকস ম্যানুফ্যাকচারিং কোম্পানি এবং মেসার্স বিশ্বাস ব্রিকস রয়েছে।

 

এই তালিকা অনুযায়ী, জেলার বৈধ ইটভাটাগুলোর সবই ভেড়ামারা, দৌলতপুর, খোকসা ও কুমারখালী উপজেলায় অবস্থিত। বিপরীতে সদর ও মিরপুরে বৈধ ভাটা না থাকলেও এ দুই উপজেলায় অবৈধ ভাটার সংখ্যা ৬৩টি।

 

কুষ্টিয়া জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোহাম্মদ এমদাদুল হক বলেন, গত বছর যেসব অবৈধ ইটভাটার তালিকা করা হয়েছিল, সেই তালিকা তাদের কাছে রয়েছে। গত বছর যেসব ভাটার বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে জরিমানা ও ভেঙে দেওয়ার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল, সেগুলোর অনেকগুলো আবার পুনর্র্নিমাণ করা হয়েছে।

 

তিনি বলেন, এবারও অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রয়োজনে ভেঙে দেওয়ার কোনো বিকল্প থাকবে না। ইটভাটায় যেন কোনোভাবেই কাঠ ব্যবহার করা না হয়, সে বিষয়েও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। ভেঙে দেওয়ার পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী পর্যাপ্ত জরিমানা করা হবে।

 

মোহাম্মদ এমদাদুল হক আরও বলেন, প্রতিবছর অবৈধ ইটভাটার মালিকদের নোটিশ দেওয়া, জরিমানা করা এবং সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। এরপরও কেউ আইন অমান্য করে অবৈধভাবে ইটভাটা পরিচালনা করলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

ইটভাটার মালিকদের রাজনৈতিক পরিচয় ও প্রভাবের বিষয়ে তিনি বলেন, কুষ্টিয়ার অনেক ইটভাটার মালিক নিজেদের কোনো না কোনো রাজনৈতিক দলের নেতা বা রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী ব্যক্তি হিসেবে পরিচয় দেন। এ কারণে অভিযান পরিচালনার ক্ষেত্রে বিভিন্ন সময় চাপ বা প্রতিবন্ধকতা তৈরি হয়। তবে আইন সবার জন্য সমান।

 

পরিবেশ অধিদপ্তরের এই বক্তব্যে অভিযান পরিচালনার ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতার বিষয়টি উঠে এলেও কোন কোন ভাটার বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, কতগুলো পুনর্নির্মিত হয়েছে এবং বর্তমানে কতগুলো চালু রয়েছে—এমন হালনাগাদ তথ্য প্রকাশের বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

 

অন্যদিকে কুষ্টিয়া জেলা ইটভাটা মালিক সমিতির একাংশের সাধারণ সম্পাদক শাহীন আলী বলেন, লাইসেন্স না পাওয়ায় তারা প্রতিনিয়ত ব্যবসায়িক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন। পরিবেশ অধিদপ্তর ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে বারবার যোগাযোগ করেও সমস্যার সমাধান হচ্ছে না বলে দাবি করেন তিনি।

 

শাহীন আলীর ভাষ্য, ইটভাটা পরিচালনার ক্ষেত্রে পরিবেশ অধিদপ্তরের প্রচলিত আইন ব্যবসায়ীবান্ধব নয়। তাঁর দাবি, ২০১৩ সালে তৎকালীন সরকারের নীতিগত সিদ্ধান্তের কারণে অধিকাংশ ইটভাটা বন্ধ হয়ে পড়ে এবং এ শিল্প ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে কিছু ভাটা টিকে থাকলেও পর্যায়ক্রমে অনেক ভাটা বন্ধ হয়ে গেছে এবং আরও বন্ধ হওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে।

 

তিনি বলেন, ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি এ শিল্পের সঙ্গে জড়িত শ্রমিকেরাও বেকার হয়ে পড়ছেন। সরকারের কাছে তাদের দাবি, সময়োপযোগী আইন প্রণয়নের মাধ্যমে দেশের সব জেলার ইটভাটাকে লাইসেন্স দেওয়ার ব্যবস্থা করা হোক। অন্যথায় এ শিল্প ধ্বংসের মুখে পড়বে এবং এর সঙ্গে যুক্ত শ্রমিকেরা কর্মসংস্থান হারিয়ে নানা অন্যায় কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়তে পারেন বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।

 

তবে ইটভাটা মালিকদের লাইসেন্সসংক্রান্ত জটিলতা ও আইন পরিবর্তনের দাবি থাকলেও অনুমোদন ছাড়া ভাটা পরিচালনার বৈধতা স্বয়ংক্রিয়ভাবে তৈরি হয় না। পরিবেশ রক্ষার শর্ত পূরণ, প্রয়োজনীয় অনুমোদন গ্রহণ এবং প্রচলিত আইন মেনে ব্যবসা পরিচালনার বিষয়টি আলাদা। ফলে একদিকে লাইসেন্সপ্রাপ্তির সমস্যা সমাধানের দাবি, অন্যদিকে আইন অমান্য করে ভাটা পরিচালনার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা—দুই বিষয়েই কর্তৃপক্ষের স্পষ্ট অবস্থান ও কার্যকর পদক্ষেপ প্রয়োজন।

 

কুষ্টিয়ার ১৫৫টি অবৈধ ইটভাটার বিষয়ে হালনাগাদ তথ্য প্রকাশ, অভিযান-পরবর্তী তদারকি এবং পুনর্নির্মিত ভাটাগুলোর বিরুদ্ধে নেওয়া ব্যবস্থার বিবরণ জনসমক্ষে আনার দাবি উঠেছে। বিশেষ করে সদর ও মিরপুরে একটিও বৈধ ভাটা না থাকার পরও ৬৩টি অবৈধ ভাটার অস্তিত্ব কীভাবে বজায় রয়েছে, তার ব্যাখ্যা জরুরি বলে মনে করছেন সচেতন মহল।

 

পরিবেশ অধিদপ্তরের পাশাপাশি জেলা প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসন, কৃষি বিভাগ ও সংশ্লিষ্ট আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। কোন ভাটা অনুমোদন ছাড়াই চলছে, কোথায় কৃষিজমির মাটি ব্যবহারের অভিযোগ রয়েছে, কোথায় কাঠ পোড়ানো হচ্ছে এবং কোন ভাটা অভিযানের পর পুনর্র্নিমাণ করা হয়েছে—এসব তথ্যের ভিত্তিতে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হলে পরিস্থিতির বাস্তব চিত্র স্পষ্ট হবে।

 

একই সঙ্গে লাইসেন্সপ্রত্যাশী ভাটামালিকদের আবেদন, অনুমোদন না পাওয়ার কারণ এবং প্রযোজ্য পরিবেশগত শর্ত পূরণের বিষয়েও স্বচ্ছতা থাকা দরকার। এতে বৈধভাবে ব্যবসা পরিচালনায় আগ্রহী উদ্যোক্তাদের সমস্যা চিহ্নিত করা সম্ভব হবে এবং আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রেও জবাবদিহি বাড়বে।

 

সব মিলিয়ে কুষ্টিয়ার ইটভাটা খাতে এখন বড় প্রশ্ন—আইন প্রয়োগের ঘোষণা বাস্তবে কতটা কার্যকর হচ্ছে? ১৭টি বৈধ ভাটার বিপরীতে ১৫৫টি অবৈধ ভাটার উপস্থিতি, অভিযান চালানোর পর পুনর্র্নিমাণের তথ্য এবং লাইসেন্স না পাওয়ার অভিযোগ—সব মিলিয়ে বিষয়টি শুধু পরিবেশদূষণের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই; এটি প্রশাসনিক নজরদারি, আইন প্রয়োগ এবং শিল্প খাতের নীতিগত ব্যবস্থাপনারও গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা। এখন প্রয়োজন ঘোষণার বাস্তবায়ন, নিয়মিত তদারকি এবং আইন অনুযায়ী সবার জন্য সমান ব্যবস্থা নিশ্চিত করা।

Tags :

কুষ্টিয়া জেলা নিউজ ডেক্স, কুষ্টিয়া জিলাইভ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

সর্বশেষ খবর